<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>jalalabadnewsbd</title>
	<atom:link href="http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://jalalabadnewsbd.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 24 Jan 2013 15:36:19 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.5</generator>
		<item>
		<title>শাবিতে মূর্তি স্থাপন : রক্তবন্যার আশংকা সত্যিযেন না হয়</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10420</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10420#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2013 15:34:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10420</guid>
		<description><![CDATA[মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী:: সিলেটকে বাংলার আধ্যাত্মিক রাজধানী বলা হয়। মহান দরবেশ হযরত শাহজালাল (র.) পবিত্র ইসলাম ধর্মের দাওয়াত নিয়ে এসে সিলেটের মাটিকে  পবিত্র করেছিলেন। জালিম-স্বৈরাচারী শাসক গৌড় গৌবিন্দকে মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন বন্ধের আহবান জানিয়ে এক আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগীর জন্য...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী::</strong> সিলেটকে বাংলার আধ্যাত্মিক রাজধানী বলা হয়। মহান দরবেশ হযরত শাহজালাল (র.) পবিত্র ইসলাম ধর্মের দাওয়াত নিয়ে এসে সিলেটের মাটিকে  পবিত্র করেছিলেন। জালিম-স্বৈরাচারী শাসক গৌড় গৌবিন্দকে মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন বন্ধের আহবান জানিয়ে এক আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগীর জন্য আহবান জানান। অলৌকিক ভাবে জায়নামাজকে কিস্তি বানিয়ে সুরমা পাড়িদেন। এক পর্যায়ে গৌড় গোবিন্দকে পরাজিত করে ‘আল্লাহু আকবার’ তাকবীর ধ্বনী দিয়ে সিলেট ভূমি জয় করেছিলেন ৩৬০ আউলিয়া। ঈমানদীপ্ত এই কাফেলার আজানের ধ্বনীতে সকল মূর্তিপূজারীরা পালাতে বাধ্য হয়েছিল।  অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো , ইদানিং সিলেটে গৌড় গোবিন্দের পেতাত্মারা নতুনকরে মাথাচারা দিয়ে <span id="more-10420"></span>উঠেছে।  ওরা পূন্যভ’মি সিলেটকে আবার ও গৌড় গোবিন্দের আস্থানায় পরিনত করতে উঠেপরে লেগেছে।  আফতাবে সিলেট হযরত শাহজালাল (র.) ও শায়খুল ইসলাম হযরত হোসাইন আহমদ মাদানী (র) সহ অসংখ্য ওলি আউলিয়ার র্দীঘ স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র এই মাটির বিভিন্ন  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের  স্থানে স্থানে মূর্তি নির্মানের ষড়যন্ত্র চলছে। মন্দিরে মূর্তি নির্মাণ করতে সিলেটবাসীর বাধাঁ নেই। কিন্তু কোন প্রতিষ্ঠানে অবাধে মূর্তির্নিমান কোন  মুসলমান মেনে নিতে পারেনা। বিশেষ করে হযরত শাহজালাল (র.) এর নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপীঠে মূর্তি নির্মাণ স্বয়ং এই অওলির সাথে বেয়াদবীর নামান্তর! কেউ জোরর্পূবক এমন কোন অপসংস্কৃতি চাপিয়ে দিতে চাইলে এটা হবে সিলেটবাসীর বৃহত্তর জনগোষ্টির ধর্মীয় অনুভ’তিতে আঘাত হানা।<br />
একটি মহল অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এমন গর্হিত কাজ চালিয়ে সিলেটের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। চিহ্নিত ঐ গোষ্টি মহান এই অলির নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপীঠে শাহজালাল (র.)এর আদর্শ বিরুধী কর্মকান্ড চালিয়ে সিলেটের শান্তিপুণ পরিবেশকে অশান্ত করে তোলার পায়তারা করছে বলে সচেতন মহল মনে করেন। প্রায় একমাস যাবত এই ইস্যুটি নিয়ে সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আন্দোলন করে আসছেন। প্রতিবাদ,মিছিল-সমাবেশ,স্মারক লিপি, মানব বন্ধন, অনশন ধর্মঘট কর্মসুচি পালিত হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে এখনো রহস্য জনক ভ’মিকা পালন করছেন। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে, শাবি কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসন রক্তপাত চাচ্ছেন!  অতীতে বির্তকিতদের নামে শাবির হলের নামকরণ আন্দোলনে পবিত্র রমজান মাসে সিলেটের জনগন রাজপথে রক্তদিয়ে যে নজির স্থাপন করেছিলেন, এমন পরিবেশ তৈরীর আগে কী সংশ্লিষ্টদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে না ?</p>
<p>জানাগেছে,শাবি প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০ বছর পর শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য (মূর্তি) নির্মিত হলো । ২০১১সালের  ৩০শে জুলাই  বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সালেহ উদ্দিন ভাষ্কর্য উদ্বোধন করেন। এসময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষকদের আহবায়ক এবং ভাষ্কর্য পূন:স্থাপন কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক সুশান্তকুমার দাশ, অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক, প্রক্টর এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এস এম সাইফুল ইসলাম,  দ্বিতীয় ছাত্রহল প্রভোস্ট অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম দিপু, তৃতীয় ছাত্রহল প্রভোস্ট অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ, শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক সহযোগি অধ্যাপক আব্দুল গণি, সহকারী প্রক্টর ফারুক উদ্দিন দ্বিতীয় ছাত্রী হল প্রভোস্ট রোকসানা বেগম, ভাষ্কর মোবারক হোসেন নৃপাল, ভাষ্কর্য  পূন:স্থাপন কমিটির আহবায়ক ফেরদৌস হাসান, এবং সমন্বয়ক খুরশিদুল আলম হিটু প্রমুখ। ভাষ্কর্য উদ্বোধনের পর উপাচার্য বলেন, এক প্রজন্ম যা করতে পারে না, পরবর্তী প্রজন্ম তা সফল করে। আর এ ধারাবাহিকতায় আমরা যা পারিনি তা আমাদের শিক্ষার্থীরা করে দেখাতে পেরেছে। আর এর দ্বারা এটাই প্রমান হয় যে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম স্বাধীনতার মান রাখতে পারবে।<br />
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৬শে মার্চ, শাবির ২০০৫-২০০৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীবৃন্দ ক্যাম্পাসে একাডেমিক ভবন এ- এর উত্তর পাশে “চেতনা’৭১” নামে একটি অস্থায়ী ভাস্কর্য স্থাপন করেন। যা শাবি এবং সিলেট বিভাগের প্রথম মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য হিসেবে পরিচিতি পায়। বর্তমান ‘চেতনা ৭১’ এরই স্থায়ী নির্মাণ। ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ও ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অর্থায়নে ভাষ্কর্য নির্মাণ সম্পন্ন হয়। ভাষ্কর্যে একজন ছাত্র এবং সংবিধানের প্রতীকী বই হাতে একজন ছাত্রী রয়েছে। প্রায়  ৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ব্যায়ে পূর্বের অস্থায়ী ভাষ্কর্যটির স্থানেই স্থায়ীভাবে নির্মিত হয়েছে ‘চেতনা ৭১’ ভাস্কর্যটি। ভাস্কর্যের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য এবং একাডেমিক ভবন গুলোর লাল ইটের সাথে মিল রেখে ভিত্তি বেদির ৩ টি ধাপ বানানো হয়েছে লাল ও কালো সিরামিক ইট দিয়ে। এর মধ্যে নিচের ধাপের ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের ধাপ সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের ধাপ ১২ ফুট। প্রত্যেকটি ধাপ ১০ ইঞ্চি করে উচু। বেদির ধাপ ৩টির উপরে মুল বেদিটি ৪ ফুট উচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু মূল ফিগার। ভাষ্কর্যের নকশা প্রণয়ন এবং নির্মাণ সম্পন্ন করেন ঢাকার নারায়নগঞ্জে স্থাপিত ‘নৃ-স্কুল অব স্কালপচার’ এর প্রতিষ্ঠাতা এবং শিল্পী মোবারক হোসেন নৃপাল।<br />
(সূত্র-যঃঃঢ়://িি.িনধহমষধঃরসবং২৪.পড়স/?ঢ়=১৬০৪১)<br />
মূর্তি বিরোধী আন্দোলন যত গতিশীল হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তত কঠোর হচ্ছে। পুলিশী প্রহরায় চলছে ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য বেদী নির্মাণের শেষ পর্যায়ের কাজ। সূত্র দাবী করছে যে কোন মুহূর্তে স্থাপন করা হতে পারে আলোচিত এই ভাস্কর্যটি। তবে বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচী অব্যাহত রেখেছে। রক্ত দিয়ে হলেও কোন কোন সংগঠন ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন প্রতিহত করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। একই সাথে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণ বিরোধী আন্দোলন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষা নেয়ার আহবান জানিয়েছেন তারা। আর মানববন্ধন ও সভা সমাবেশ তো চলছেই। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভাস্কর্য নির্মাণ কাজের পাশে কড়া পুলিশী প্রহরা বসানো হয়েছে। এছাড়া বাড়তি নিরাপত্তার জন্য গোল চত্বর এলাকায় গোপন ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে। ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই ভাস্কর্যের বেদী নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। গতকাল সকাল ১০টায় পরিদর্শনে আসেন ভাস্কর্য নির্মাণ কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এ সময় সিলেট নগরীর কিছু প্রগতিবাদী ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, দেশের সর্ববৃহৎ ভাস্কর্য নির্মিত হচ্ছে শাহজালাল (র.) এর নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বেদীর উচ্চতা ২০ ফুট এবং এর উচ্চতা হচ্ছে ৪৫ ফুট। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য বেদী নির্মাণ কাজ শুরু থেকেই আন্দোলন করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। তারা দাবী করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক হযরত শাহজালাল (রহ.) নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জাহানারা ইমামের নাম জড়িয়ে দিতে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা জাহানারা ইমামের দেহের আদলে মুর্তি বসিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা করছে। ভাস্কর্যেও নামে সে মূর্তিও নকশা মিডিয়ার কল্যাণে সিলেটবাসী দেখেছে। ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের দাবী ধর্মপ্রাণ সিলেটবাসীর হৃদয়ে আঘাত দিয়ে কখনো সফল হতে পারবে না। (সূত্র:দৈনিক সিলেটের ডাক)।</p>
<p>আলেম-উলামাদের মতে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় মূর্তি তৈরী করে এই অচ্ঞলের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি চরম কুঠারাঘাত করা হয়েছে। সর্বোপরি যে মহান ব্যক্তির নামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম করণ করা হয়েছে, সেখানে তাঁর আদর্শ বিরুধী কোন কর্মকান্ড সিলেটের ধর্মপ্রাণ জনগণ মেনেনিতে পারেনা। তাদের মতে শাবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ গনের প্রতি শ্রদ্ধাজানাতেগিয়ে ধর্মবিরুধী কিছু করতে পারেন না।  আমরা শাবিপ্রবি কর্তৃপক্ষকে বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দোহাই দিয়ে কারো ধর্মীয় চেতনায় আঘাত হানা ঠিক হবেনা। এমন কাজকরে সিলেটের শান্তিপূর্নপরিবেশ নষ্টকরবেন না। হযরত শাহজালাল (র.)এর  মান-মর্যাদা অক্ষুন্নরাখুন।  মুক্তিযুদ্ধাদের সম্মানে কোন একটি হল, স্মৃতি স্তম্ভ, শহীদ মিনার নির্মাণ করুন। কিন্তু এমন কিছু করবেন না, যা ইসলামী বোধ বিশ্বাস ও সংস্কৃতির বিরোধী হয়। শাবিপ্রবিতে কোটি টাকা ব্যয়ে ভাষ্কর্যের নামে যে মূর্তিস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে অবিলম্বে তা বাতিল করতে হবে। যে শাহজালাল (র.) সিলেটে এসে মূর্তিপূজা বন্ধকরেছিলেন, আজ আমাদের আমলে এই পূণ্যভূতির ঐতিহ্য বিনষ্ট হতে যাচ্ছে।<br />
‘চেতনা ৭১’ এর আদলে প্রায় সোয়া এক কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি মূর্তি স্থাপনের খবর প্রকাশ হলে সিলেটের ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ফুসেঁ উঠেছেন। সম্প্রতি সিলেটে ‘‘শাহজালাল (রহ.) ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদ’’ ও ভাষ্কর্যপ্রতিরুধ আন্দোলন’ নামে ২টি সংগঠন নিয়ম তান্ত্রীন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সংগঠন ২ টি ছাড়া ও আমরা সিলেটবাসীর  ব্যানারে শাবিতে মুর্তি র্নিমাণ বিরুধী কঠোর আন্দোলনের কর্মসুচি ঘোষণার কথা জানাগেছ। নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মহান দরবেশ হযরত শাহজালাল (রহ.) ইসলামের দাওয়াত নিয়ে সিলেটে আগমন করেছিলেন। তার আদর্শ ছিল প্রকৃত ইসলামের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে মূর্তি স্থাপন সর্ব প্রকার অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য মহান এই দরবেশের আদর্শকে জলাঞ্জলী দিয়ে একটি কুচক্রী মহল আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে সিলেটের ইতিহাস ঐতিহ্য বিনষ্টে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। সিলেটবাসী অতীতে যেভাবে নাস্তিক-মুর্তাদ বিরোধী আন্দোলনে সম্মিলিতভাবে ঝাপিয়ে পড়েছিল সে ভাবে শাহজালাল এর উত্তরসূরীরা মূর্তি নির্মাণ সহ সকল প্রকার অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পিছপা হবেনা। অবস্থা দৃষ্টে সচেতন মহল রক্তবন্যার আশংকা করছেন।  আমাদের কামনা হলো রক্তবন্যার আশংকা সত্যি যেন , না হয়।<br />
email-editorsylhetreport@gmail.com</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10420</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>২৫ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রীর জন্মদিন</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10415</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10415#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2013 11:39:25 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10415</guid>
		<description><![CDATA[শুক্রবার ৮০ বছরে পা দিতে যাচ্ছেন অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযোদ্ধা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ২৫ জানুয়ারি তার জন্মদিন। ১৯৩৪ সালে সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মুহিত। পাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম নেতা, তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[
<a href='http://jalalabadnewsbd.com/?attachment_id=9943' title='kolom'><img width="88" height="112" src="http://jalalabadnewsbd.com/wp-content/uploads/2013/01/kolom11.png" class="attachment-thumbnail" alt="kolom" /></a>

<p>শুক্রবার ৮০ বছরে পা দিতে যাচ্ছেন অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিক, ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযোদ্ধা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।</p>
<p>২৫ জানুয়ারি তার জন্মদিন। ১৯৩৪ সালে সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মুহিত। পাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম নেতা, তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের কর্ণধার অ্যাডভোকেট আবু আহমদ আব্দুল হাফিজের দ্বিতীয় পুত্র (তৃতীয় সন্তান)। তার মা সৈয়দ শাহার বানু চৌধুরীও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।</p>
<p>মুহিত ছাত্রজীবনে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ১৯৫১ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ( সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম এবং ১৯৫৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। চাকরিরত অবস্থায় তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নসহ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেন।</p>
<p>১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি) যোগদানের পর মুহিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, কেন্দ্রীয় পাকিস্তান এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে তিনি পরিকল্পনা সচিব এবং ১৯৭৭ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহির্সম্পদ বিভাগে সচিব পদে নিযুক্ত হন।</p>
<p>তিনি পাকিস্তান পরিকল্পনা কমিশনের চিফ ও উপসচিব থাকাকালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্যের ওপর ১৯৬৬ সালে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করেন এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে এটিই ছিল এই বিষয়ে প্রথম প্রতিবেদন।</p>
<p>এছাড়া ওয়াশিংটন দূতাবাসের তিনি প্রথম কূটনীতিক, যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১৯৭১-এর জুন মাসে পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের পক্ষে আনুগত্য প্রদর্শন করেন। শুধু তাই নয়, অর্থনীতি ও কূটনীতিতে মুহিত সবিশেষ পারদর্শী। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি) ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় তিনি একজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব।</p>
<p>বিশিষ্ট এই অর্থনীতিদি ১৯৮১ সালে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে তিনি অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে ফোর্ড ফাউন্ডেশনে কাজ শুরু করেন। ১৯৮২ এবং ৮৩ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন। ১৯৮৪ ও ১৯৮৫ সালে তিনি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং ফেলো ছিলেন।</p>
<p>লেখালেখিতেও মুহিত পারদর্শী। প্রশাসনিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে তার ২১টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>আবুল মাল আব্দুল মুহিতের স্ত্রী সৈয়দা সাবিয়া মুহিত একজন ডিজাইনার। তাদের তিন সন্তানের মধ্যে প্রথম কন্যা সামিনা মুহিত একজন ব্যাংকার ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ। বড় ছেলে সাহেদ মুহিত বাস্তুকলাবিদ এবং ছোট ছেলে সামির মুহিত শিক্ষকতা করেন।</p>
<p>তিনি ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10415</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>১৮ দলীয় জোটের গণসংযোগ কর্মসূচিতে ড. খন্দকার মোশাররফ ॥ গণআন্দোলনের মুখে সকল দাবি পূরণে আওয়ামীলীগকে বাধ্য করা হবে</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10410</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10410#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2013 11:18:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10410</guid>
		<description><![CDATA[বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দুর্নীতিবাজ সরকার। তাদের হাতে দেশ ও জনগণ কোনটাই নিরাপদ নয়। তারা বিদেশী প্রভুদের মদদে বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করতে খুন, গুম, অপহরণ ও মিথ্যা...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দুর্নীতিবাজ সরকার। তাদের হাতে দেশ ও জনগণ কোনটাই নিরাপদ নয়। তারা বিদেশী প্রভুদের মদদে বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করতে</p>
<p>খুন, গুম, অপহরণ ও মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার ও রিমান্ডের নামে নির্যাতন চালাচ্ছে। সরকারের নির্দেশেই গোয়েন্দা সংস্থার লোক সিলেটের কোটি জনতার প্রাণপ্রিয় জননেতা এম ইলিয়াস আলীকে গুম করেছে। ছাত্রনেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ দেশব্যাপী  সকল গুম সরকারের নির্দেশেই হয়েছে। ইলিয়াসকে গুম করে সিলেট তথা সারা দেশে বিএনপিকে নেতৃত্ব শূন্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিরোধীদলের গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করতেই বিএনপি জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ সারা দেশে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ছাড়া বাংলার মাটিতে নির্বাচনের কোন স্বপ্ন সফল হবে না। দেশের গণতন্ত্রকামী দেশপ্রেমিক জনতার ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলনের মুখে সরকারকে সকল ন্যায্য দাবি পূরণে বাধ্য করা হবে। দেশের গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে জননেতা ইলিয়াস আলীসহ গুম হওয়া সকলকে তাদের পরিবারের মাঝে ফিরিয়ে দিতে হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ বিরোধী দলের সকল নেতাকর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। দফায় দফায়  জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সকল দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি বন্ধ করতে হবে। দেশ ব্যাপী বিরোধী দলের প্রতি সরকারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় দেশের মানুষ এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে টেনে হেঁচড়ে বিদায় করবে।<br />
তিনি গতকাল বুধবার ১৮দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে ১৮ দলীয় জোট সিলেট জেলা ও মহানগর এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গণসংযোগ কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। নেতৃবৃন্দ কোর্ট পয়েন্ট থেকে আম্বরখানা পর্যন্ত গণসংযোগ করেন। তখন  গণসংযোগ কর্মসূচিটি বিশাল গণমিছিলে রূপ নেয়। এ সময় রাস্তার দুপাশ থেকে জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীবৃন্দ মিছিলকে স্বাগত জানায়।<br />
১৮ দলীয় জোট সিলেট মহানগর এর আহবায়ক ও মহানগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এম এ হক এর সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল গাফফার ও মহানগর জামায়াত সেক্রেটারী সিরাজুল ইসলাম শাহীন এর যৌথ পরিচালনায় গণসংযোগপূর্ব সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শমসের মবিন চৌধুরী বীরবিক্রম।<br />
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী ও ডাঃ শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসিম হোসাইন, সহ-সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম ও তারেক আহমদ চৌধুরী, জেলা সহসভাপতি ময়নুল হক চৌধুরী, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির শাহীন, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আহমদ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক সিটি কাউন্সিলর রেজাউল হাসান  কয়েস লোদী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপি নেতা মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, এটিএম ফয়েজ, মহানগর বিএনপি নেতা ফরহাদ চৌধুরী শামীম, দিনার খান হাসু, ওমর আশরাফ ইমন, মাহবুব কাদির শাহী, ছাত্রদল নেতা সৈয়দ সাফেক মাহবুব ও নূরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মহানগর নায়েবে আমীর ডাঃ সায়েফ আহমদ, সিলেট জেলা ১৮ দলীয় জোট এর সদস্য সচিব ও সিলেট জেলা দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারী মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, মহানগর সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট জিয়া উদ্দিন নাদের, জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল মুনিম, মহ্নাগর শিবির সেক্রেটারী আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট আব্দুর রকীব, জমিয়ত সিলেট মহানগর সহসভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান তাপাদার ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান, ইসলামী ঐক্যজোট সিলেট মহানগর সভাপতি মুফতি ফয়জুল হক জালালাবাদী, জাগপা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা সভাপতি মকসুদ হোসেন ও জেলা সেক্রেটারী তারেক আহমদ বিলাস, বাংলাদেশ লেবার পার্টি সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, এলডিপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা সভাপতি সায়েদুর রহমান চৌধুরী রূপা প্রমুখ।<br />
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শমসের মবিন চৌধুরী বীরবিক্রম বলেন, আওয়ামীলীগ ফ্যাসীবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে তাদের হাতে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র নিরাপদ নয়। তাদের দুঃশাসনে দেশের মানুষ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সীমান্তে প্রতিদিন নিরীহ বাংলাদেশী নাগরিককে জীবন দিতে হচ্ছে। কিন্তু সরকার এর কোন প্রতিবাদ না করে বিএসএফ এর পক্ষে চাপাই গাইছে। তাঁবেদার জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে হঠাতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশব্যাপী গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। এই গণজাগরণকে গণবিস্ফোরণে রূপ দিতে দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিজ্ঞপ্তি</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10410</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জগন্নাথপুরে পৃথক সংঘর্ষে আহত ৩৪</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10408</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10408#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2013 11:14:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[সুনামগঞ্জ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10408</guid>
		<description><![CDATA[জগন্নাথপুর থেকে সংবাদদাতা : জগন্নাথপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ ৩০জন আহত হয়েছেন। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে।জানা যায়, গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় জয়নগর গ্রামের ফুলকাছ মিয়া ও...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>জগন্নাথপুর থেকে সংবাদদাতা :<br />
জগন্নাথপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ ৩০জন আহত হয়েছেন। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে।<span style="font-size: 13px;">জানা যায়, গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় জয়নগর গ্রামের ফুলকাছ মিয়া ও সয়াল মিয়ার মধ্যে হাওরে মাছের ছাই নেয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে মহিলাসহ ৩০জন আহত হয়েছেন। আহত ফুলকাছ মিয়া (৪০), ফরহাদ মিয়া (২৮), আছকির মিয়া (২৫), জাহির মিয়া (২৫), রুহুল আমিন (২৫), আলামিন (২৪), খালেদ মিয়া (২৪), রাজু মিয়া (২৫), শাহান মিয়া (১৫), আঙ্গুরা বেগম (৫০), মনোয়ারা বেগম (৫০), জনতা বেগম (১৮), রাবেয়া বেগম (৬২), সুফিয়া বেগম (৫০) কে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্যান্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।</span></p>
<p>এদিকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় একই পরিবারের মহিলাসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হচ্ছেন ,আবুল কাশেম শায়েক (২৮), আবু জাহেদ (২৪), মাজেদা বেগম (২৫) ও শিউলি বেগম (১৮)। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের কাতিয়া গ্রামে। জানা গেছে, গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূমের প্রথম স্ত্রীর ছেলে আবুল কাশেম শায়েক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে আবুল হাসনাত লায়েকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে গত মঙ্গলবার রাতে আবুল কাশেম শায়েক ও আবুল হাসনাত লায়েকের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত আবুল কাশেম শায়েক জানান, পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ ও আমাদেরকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য সৎ ভাই আবুল হাসনাত লায়েক তার লোকজন নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10408</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডাকাতি প্রতিরোধে নিজেরা পাহারা দেবেন</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10405</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10405#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2013 10:44:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[হবিগঞ্জ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10405</guid>
		<description><![CDATA[ডাকাতের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জ শহরতলীর ৫ গ্রামের মানুষ। ডাকাত আতংকে দিন কাটাচ্ছেন ওইসব গ্রামের লোকজন। বিভিন্ন স্থানে একের পর এক ডাকাটির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর, জালালাবাদ, নোয়াগাঁও, দুর্লভপুর এবং যশেরআব্দা গ্রামের লোকজন ডাকাতি...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>ডাকাতের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জ শহরতলীর ৫ গ্রামের মানুষ। ডাকাত আতংকে দিন কাটাচ্ছেন ওইসব গ্রামের লোকজন। বিভিন্ন স্থানে একের পর এক ডাকাটির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর, জালালাবাদ, নোয়াগাঁও, দুর্লভপুর এবং যশেরআব্দা গ্রামের লোকজন ডাকাতি প্রতিরোধে এক সভায় মিলিত হন। গতকাল বুধবার রাত ৮টায় নারায়নপুর গ্রামে ৫ গ্রামের মুরুব্বীয়ানসহ সকল স্তরের মানুষ ডাকাতি প্রতিরোধে এক সভার আয়োজন করেন। রিচি ইউপি চেয়ারম্যান মিয়া মোঃ ইলিয়াছ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক। তিনি তার বক্তব্যে আহবান জানান এক সপ্তাহের মধ্যে এলাকাবাসী ও চেয়ারম্যান মিলে জুয়াড়ি, সন্ত্রাসী, চোর-ডাকাত, নেশাখোর, মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে পুলিশের কাছে একটি তালিকা দিতে। পুলিশ ১৫ দিনের মধ্যে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে। আগের দিনের ডাকাতের গুজব যারা ছড়িয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করতে পারলে তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।<br />
সভায় বক্তব্য রাখেন মন্নর আলী, কাইযুম মিয়া মেম্বার, আমির হোসেন, এডভোকেট িিতশ গোপ, সামছুল হুদা, ধনরঞ্জন গোপ, আব্দুর রাজ্জাক, জ্যোতিষ গোপ, খেলু মিয়া, দেওয়ান কবির প্রমূখ। সভা উপস্থাপনা করেন কাজল গোপ। সভায় ডাকাতি প্রতিরোধে ৫ গ্রামের মানুষ প্রতিটি গ্রামে রাতে পাহারা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10405</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হবিগঞ্জে যুবতীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10403</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10403#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2013 10:42:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[হবিগঞ্জ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10403</guid>
		<description><![CDATA[বাহুবল উপজেলার সীমান্তবর্তী নবীগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের এক যুবতীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। গত শুক্রবার ঢাকায় ওই যুবতী মারা গেলেও গতকাল বুধবার তার লাশ গ্রামের বাড়িতে এনে দাফন করা হয়েছে। এ মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>বাহুবল উপজেলার সীমান্তবর্তী নবীগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের এক যুবতীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। গত শুক্রবার ঢাকায় ওই যুবতী মারা গেলেও গতকাল বুধবার তার লাশ গ্রামের বাড়িতে এনে দাফন করা হয়েছে। এ মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা কথা শোনা যাচ্ছে। কেউ বলছে, ওই যুবতী অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে গর্ভবতী হওয়ায় আত্মহত্যা করেছে। আবার কেউ বলছেন, গর্ভবতী ওই যুবতীকে হত্যা করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে দর কাষাকষি চলছিল বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। সূত্র জানায়, পানিউমদা ইউনিয়নের দণি নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত ফখরুল ইসলামের কন্যা পারভীন আক্তার (২০) তারই চাচাত ভাই ছাদেক মিয়ার পুত্র মাসুম (৩২) এর ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বিগত এক বছর ধরে বসবাস করে আসছে। পারভীন আক্তারের আত্মীয়-স্বজনরা জানান, ওই বাসায় বসবাসরত অবস্থায় চাচাত ভাই মাসুম-এর সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পারভীন ও মাসুমের প্রেমের সম্পর্ক শারীরিক সম্পর্কে রূপ নেয়। মাসুম ব্যবসায়িক কাজে গাইবান্ধা জেলায় বসবাস করে। মাঝে মধ্যে বাসায় আসলে উভয়ে শারীরিক ভাবে মিলিত হতে থাকে। এক পর্যায়ে পারভীন আক্তার অবৈধ গর্ভ ধারণ করে। এ অবস্থায় বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারভীন চাপ প্রয়োগ করে মাসুমকে। চতুর মাসুম এ পর্যায়ে পারভীনের জাল থেকে বের হতে নানা পথ খোঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে গত শুক্রবার মাসুম বাসায় এসে পূর্ব পরিকল্পনা মতে পারভীনকে খুন করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে। পরে স্থানীয় পুলিশকে খবর দিয়ে ময়না তদন্ত সম্পন্ন করার পর লাশ হাসপাতালের হিমাগারে রেখে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে উঠে। অবশেষে মাসুম ও তার পরিবারের লোকজন পাঁচ দিনের মাথায় গত বুধবার রাতে লাশ নিয়ে আসে গ্রামের বাড়িতে। খবর পেয়ে আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-পড়শী ও সাংবাদিকগণ বাড়িতে উপস্থিত হন। এ সময় মাসুম সাংবাদিকদের জানায়, সে গাইবান্ধা ছিল। ঢাকার বাসায় তার মা ও এক ভাতিজির সাথে নিহত পারভীন বসবাস করছিল। গত শুক্রবার তার মা ও ভাতিজি তাকে তালাবদ্ধ ঘরে রেখে বাইরে যান। ফিরে এসে তারা দেখতে পান পারভীন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পারভীনের আত্মহত্যার কারণ জানাতে পারেননি। মাসুম সাংবাদিকদের উল্লেখিত তথ্য দিলেও পারভীনের আত্মীয়-স্বজনগণ তাকে হত্যা করা হয়েছে বলেই ধারণা করছেন। দাফনের পূর্বে সাংবাদিকসহ নিহতের স্বজনরা লাশ দেখতে চাইলে মাসুম ও তার স্বজনরা লাশ দেখতে দেয়নি। এতে স্থানীয় জনমনে সন্দেহ বাড়ছে। এদিকে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ দাফনের পর স্থানীয় মুরুব্বী আবু মুসা, ছালিক মিয়া, আজাদ মিয়া, মনু মিয়া ও হান্নান মিয়াসহ গণ্যমান্য লোকজনের মধ্যস্থতায় দেড় লাখ টাকায় ঘটনাটি দফা-রফা করার প্রক্রিয়া চলছিল।</p>
<p><span style="color: #666666; font-family: SolaimanLipi; font-size: 14px; line-height: 26px; text-align: justify;"> </span></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10403</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আমি আওয়ামীপন্থি নই&#8230;.এরশাদ</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10399</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10399#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Jan 2013 10:36:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10399</guid>
		<description><![CDATA[জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অভিযোগ করে বলেছেন, ‘‘বিএনপি আমার ওপর নির্যতন চালিয়েছে। আমার ছেলে-মেয়েদের জীবন নষ্ট করেছে। তাই আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছিলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগ আমার দলকে ভাঙ্গার চেষ্টা করেছে।’’ তিনি আরো বলেন, ‘‘আমি আওয়ামী লীগকে...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অভিযোগ করে বলেছেন, ‘‘বিএনপি আমার ওপর নির্যতন চালিয়েছে। আমার ছেলে-মেয়েদের জীবন নষ্ট করেছে। তাই আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছিলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগ আমার দলকে ভাঙ্গার চেষ্টা করেছে।’’</p>
<p>তিনি আরো বলেন, ‘‘আমি আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছি বলেই আমি আওয়ামীপন্থি নই।’’</p>
<p>বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় পার্টির রাজধানীর বনানী অফিসে টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির নেতা কাজী আশরাফ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে বাসাইল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম খান মিন্টুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শতাধিক নেতাকর্মীর জাতীয় পার্টিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এরশাদ।</p>
<p>এরশাদ বলেন, ‘‘মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচন করে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এবার আমরা একা নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে চাই। তবে ক্ষমতার জন্য নয় দেশের মানুষকে মুক্ত করার জন্য।’’<br />
জাতীয় পার্টি এমন একটি অবস্থান এসেছে তার সমর্থন ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলেও দাবি করেন এরশাদ।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, ‘‘ধর্ষণ, হত্যা, অ্যাসিড নিক্ষেপ ও টাকা পাচারসহ অন্যান্য অপরাধ বেড়ে চলেছে। আমার সময় এ ধরনের সামাজিক অবক্ষয় ছিল না। সুস্থ প্রশাসন ছিল।’’</p>
<p>টাকা পাচার প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, ‘‘বিদেশি কোনো ব্যাংকে কেউ আমার একটি ডলার দেখাতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো।’’</p>
<p>এরশাদ বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ সরকার ৮ হাজার মামলা প্রত্যাহার করেছে। অথচ আমি একটি মামলারও প্রত্যাহার চাইনি।কারণ আমি অপরাধী নই। অথচ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার আমাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য এসব মামলা দিয়েছে।’’</p>
<p>কথা রাখা প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, ‘‘আমি নাকি কথা দিয়ে কথা রাখি না, এটা মিথ্যা। আমি একজন সৈনিক ‍ছিলাম। তাই সৈনিকের কথার নড়চড় হয় না।’’</p>
<p>অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার ও প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10399</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শাবিতে মূর্তি স্থাপন সিলেটবাসীর ঈমানী চেতনায় আঘাত —– আল্লামা তাফাজ্জুল হক</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10392</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10392#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 23 Jan 2013 06:27:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[সংঘঠন সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10392</guid>
		<description><![CDATA[জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শায়খুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী বলেছেন, আধ্যাত্মিক রাজধানী পুণ্যভূমি সিলেটের ধর্মপ্রাণ জনগণ শাবিতে শাহজালাল (র.) এর আদর্শ বিরোধী কোন কর্মকান্ড মেনে নিবেনা। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, শাবিতে মূর্তি স্থাপন সিলেটবাসীর ঈমানী...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শায়খুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী বলেছেন, আধ্যাত্মিক রাজধানী পুণ্যভূমি সিলেটের ধর্মপ্রাণ জনগণ শাবিতে শাহজালাল (র.) এর আদর্শ বিরোধী কোন কর্মকান্ড মেনে নিবেনা। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ<span id="more-10392"></span></p>
<p>করে বলেন, শাবিতে মূর্তি স্থাপন সিলেটবাসীর ঈমানী চেতনায় আঘাত হানার নামান্তর। ঈমানী চেতনায় আঘাত আসলে এর জবাব হবে অত্যন্ত কঠোর। অবিলম্বে যদি মূর্তি স্থাপনের সিদ্ধান্ত বাতিল করা না হলে, উলামায়ে কেরাম, সর্বস্তরের দ্বীনদার মুসলমানদের সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে সিলেটের মাটিকে পবিত্র করা হবে। তিনি বলেন, পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসে আজ বলে যাচ্ছি, প্রশাসনের যদি শুভবুদ্ধির উদয় না হয় তাহলে জীবনের শেষরক্ত দিয়ে হলেও তা প্রতিহত করা হবে।<br />
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সিলেট বন্দরবাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আযাদ দ্বীনি এদারার সভাপতি আল্লামা শায়খ মাওলানা হোসাইন আহমদ বারকুটির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।<br />
সিলেট জেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা মুশাহিদ আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সিলেট জেলা জমিয়তের সভাপতি, ১৮ দলীয় জোটের সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা শায়খ জিয়া উদ্দীন, জমিয়তের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সিলেট মহানগর জমিয়তের সাবেক সভাপতি হাফিজ মাওলানা শায়খ মুহসিন আহমদ, জমিয়তের প্রবীণ মুরব্বী রেঙ্গা মাদ্রাসার মুহতামীম মাওলানা শায়খ মুহিউল ইসলাম বুরহান, সিলেট জেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা আজিজুর রহমান, হবিগঞ্জ জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা জয়নুল আবেদীন, সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান,  সিলেট জেলা জমিয়তের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আসরারুল হক, সিলেট মহানগর জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, হাফিজ মাওলানা মাসরুর, মাওলানা নুর আহমদ কাসেমী, হবিগঞ্জ জমিয়তের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আজিজুল কিবরিয়া ফুরকানী, জেলা জমিয়তের সাহিত্য সম্পাদক মুফতি খন্দকার হারুনুর রশীদ, মাওলানা সিফত উল্লাহ, শায়খুল হাদীস আব্দুল হান্নান তাজপুরী, মাওলানা শায়খ আব্দুস শহিদ, জমিয়ত নেতা মাওলানা খলিলুর রহমান, মুফতি আব্বাস, হাকিম মাওলানা শিহাব উদ্দীন, মহানগর জমিয়তের মাওলানা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, মাওলানা আব্দুল মাওলা, সিলেট জেলা যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মুফতি শাব্বির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহম্মদ আলী, প্রচার সম্পাদক রুহুল আমীন নগরী, সহ-প্রচার সম্পাদক সালেহ আহমদ শাহবাগী, জেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওলানা সাইফুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা কবীর আহমদ, সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান, মাওলানা সৈয়দ আব্দুর রহমান, হাফিজ মাওলানা শাব্বির আহমদ, এমাদ উদ্দীন সালিম, মহানগর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাসান আহমদ, সহ-সভাপতি শাব্বির আহমদ রাজি, মাওলানা আফজাল হোসাইন খান, আব্দুল করিম করিম দিলদার, মাওলানা আব্দুল ওয়াহিদ, ছাত্রনেতা তুফায়েল আহমদ, আবু বকর, মাওলানা শিব্বির আহমদ, ফখরুল ইসলাম নোমান, আরিফ আহমদ, যাকওয়ান আহমদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10392</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আল মোস্তফা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকের উদ্দোগে শাহবাগে শীত বস্ত্রবিতরণ</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10389</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10389#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 23 Jan 2013 06:22:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10389</guid>
		<description><![CDATA[আল মোস্তফা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক সাজিদ বলেছেন, বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশের ছাদরে ঢাকা একটি দেশ। গাছ গাছালী ও নদ-নদীর মনোরম পরিবেশ আমাকে আকৃষ্ট করেছে। তাছাড়া পাড়া মহল্লায় মসজিদের অধিক্যতা ধর্মীয় অনুভ’তিশীল দেশ হিসেবে দেখে আমি আনন্দিত।...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>আল মোস্তফা ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউকের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক সাজিদ বলেছেন, বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশের ছাদরে ঢাকা একটি দেশ। গাছ গাছালী ও নদ-নদীর মনোরম পরিবেশ আমাকে আকৃষ্ট করেছে। তাছাড়া পাড়া মহল্লায় মসজিদের অধিক্যতা ধর্মীয় অনুভ’তিশীল দেশ হিসেবে দেখে আমি আনন্দিত। এদেশের দরিদ্র জনগোষ্টির কল্যানে আমি সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য সহযোগিতা করে যাবো।<span id="more-10389"></span><br />
তিনি গতকাল জগিগজ্ঞের শাহবাগ জামিয়া মাদানীয়া ক্বাসিমুল উলুম মাদ্রাসা মাঠে দরিদ্র জনগোষ্টির মাঠে শীত বস্ত্র বিতরণ কালে  এসব কথা বলেন। শাহবাগ জামিয়া মাদানীয়া ক্বাসিমুল উলুম এর প্রিন্সিপাল ক্বারী মাওলানা আব্দুল হাফিজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলা টিভি ও চ্যালেন এস ইউকের চিপ এক্রিকিউটিভ  তাজ চৌধুরী। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আতাউর রহমান সেলুমিয়া, শাহবাগ জামিয়া মাদানীয়া ক্বাসিমুল উলুম এর ভাইস প্রিন্সিপাল মুফতি মাসউদ আহমদ চৌধুরী, শায়খুল হাদীস আব্দুল ওয়াদুদ, মুফতি ইবাদুর রহমান, মাওলানা ফারুক আহমদ, মাওলানা ফরিদ উদ্দীন, মাওলানা আব্দুর রহমান,মাওলানা সাদ উদ্দীন, মাওলানা আতিকুর রহমান, সিলেট রির্পোট ডটকম সম্পাদক মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, মাওলানা ইসমাইল যশোরী, সাবেক মেম্বার ফয়জুল হক খসরু, মুফতি ইকবাল হোসাইন মাষ্টার আব্দুল হক প্রমুখ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10389</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষ্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপনের প্রতিবাদে সম্মিলিত বিক্ষোভ মিছিল</title>
		<link>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10385</link>
		<comments>http://jalalabadnewsbd.com/?p=10385#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 20 Jan 2013 20:35:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>jnewsbd</dc:creator>
				<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[সিলেট]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://jalalabadnewsbd.com/?p=10385</guid>
		<description><![CDATA[মুরুআন : মহান দরবেশ হযরত শাহজালাল (রহঃ) নামে প্রতিষ্ঠিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস চত্বরে ভাস্কযের্র নামে সোয়া কোটি টাকা ব্যয়ে জাহানারাইমামের মূর্তি নির্মাণের প্রতিবাদে আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটের ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা এক কাতারে এসছেন। দলমত নির্বিশেষে তারা ফুঁসে উঠেছেন।...]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>মুরুআন : মহান দরবেশ হযরত শাহজালাল (রহঃ) নামে প্রতিষ্ঠিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস চত্বরে ভাস্কযের্র নামে সোয়া কোটি টাকা ব্যয়ে জাহানারাইমামের মূর্তি নির্মাণের প্রতিবাদে আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটের ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা এক কাতারে এসছেন। দলমত নির্বিশেষে তারা ফুঁসে উঠেছেন। ফলে ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সিলেটের রাজপথ। প্রায় প্রতিদিনই মিছিল সমাবেশ, মানব বন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালিত হচ্ছে। মূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, <span id="more-10385"></span>বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট, আন্জুমানে আল ইসলাহ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনগুলো মূর্তি নির্মাণের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ইতোমধ্যে পরিষ্কার করেছে সভা সমাবেশে মিছিল মিটিং এর মাধ্যমে। অপর দিকে, আন্দোলন জোরদার করতে রাজনৈতিক দলের বাইরে ও কয়েকটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করেছে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মাদানী কাফেলা বাংলাদেশ এর সমন্বয়ে ‘শাহজালাল (র.) ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদ গঠিত হয়েছে।  এছাড়া জামায়াতে ইসলামী, বি এনপি, খেলাফত, জমিয়ত, ইসলামী ঐক্যজোট, আল ইসলাহর নেতৃবৃন্দের যৌথ উদ্দোগে মাওলানা আব্দুল মতিন ধনপুরীর নেতৃত্বে গঠিত হযেছে‘ ভাস্কর্য প্রতিরোধ আন্দোলন’।  ইতোমধ্যে  জেলা প্রশাসক, শাবি কর্তৃপক্ষ, সিটি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানসহ সকল রাজনৈতিক দলের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠন দুটি। গত বৃহস্পতিবার র্কোট পয়েন্টে মানব বন্ধন করেছে, ‘শাহজালাল (র.) ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদ । গত শুক্রবার ইমাম সমিতির আহবানে নগরীর প্রতিটি মসজিদে খুতবার পূর্ব বয়ানে মসজিদের খতিবরা সিলেটের সর্বস্থরের মুসল্লীদের গণ আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানিছেন । শুক্রবার নগরীরর প্রায় প্রতিটি মসজিদে জুমার খুতবায় খতীব গন শাবিতে মূর্তি স্থাপনের প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। ইমাম-খতীবগন, কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন,  যে কোন মুল্যে মূর্তিস্থাপন রুখেদাড়াতে হবে। বন্দর বাজার জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মুশতাক খান বলেন,  এটা কোন রাজনৈতিক ইস্যু নয়, ঈমানী দায়িত্ব হিসেবেই সকল মুসলমানকে মুর্তি বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।</p>
<p>শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কিত ভাস্কর্যের নামে মূর্তি নির্মাণের প্রতিবাদে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন ভাস্কর্য প্রতিরোধ আন্দোলন সিলেট। গতকাল রোববার স্মরণকালের ঐতিহাসিক গণমিছিল শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।  হযরত শাহজালাল, শাহপরান (রহঃ) ও ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতি বিজড়িত পূণ্যভূমিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি নির্মাণ করতে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে হলেও মূর্তি প্রতিহত করা হবে। শুধু মূর্তি নয় হযরত শাহজালাল (রহঃ) নামে প্রতিষ্ঠিত শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মত পবিত্র শিক্ষাঙ্গন থেকে নাস্তিক মুরতাদদের বিতাড়িত করা হবে। কোন জ্ঞানপাপীদের কারণে শাহজালাল এর মর্যাদা ও আদর্শ ধ্বংস করতে দেয়া হবে না। আমাদের আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে নয় মূর্তির বিরুদ্ধে। বর্তমান সরকারের ঘাড়ে নাস্তিক মুরতাদরা সওয়ার হয়ে বসে আছে। তারা সরকারকে ভুল বুঝিয়ে পূণ্যভূমিকে রক্তাক্ত করার ষড়যন্ত্র করছে। শহীদ বেলালের উত্তরসুরীরা অতীতের মত শাবিতে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন করতে দিবে না। শাহাদাতের তামান্ন নিয়ে শাহজালালের উত্তরসূরীরা গর্জে উঠেছে। অস্ত্র নয় বুকে কুরআন হাতে তসবি নিয়ে নাস্তিকদের নির্মূল করা হবে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মূর্তি নির্মাণ কাজ বন্ধ করা না হলে অবস্থান ধর্মঘট হরতালসহ কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।</p>
<p>নগরীর রেজিষ্ট্রারী মাঠ থেকে বিশাল গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সংগঠনের আহবায়ক হযরত মাওলানা আব্দুল মতিন ধনপুরীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সোবহানীঘাট ইয়াকুবিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুফতী আবু সালেহ কুতুবুল আলম-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মিছিল পূর্ববর্তী সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সোবহানীঘাট মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামীম মাওলানা শফিকুল ইসলাম আমকুনী, সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী লেঃ কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদ, কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা ক্বারী জমিরুদ্দিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাই জেহাদী, পাঠানটুলা কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী, মাওলানা আব্দুস ছালাম আল মাদানী, মাওলানা সামছুদ্দিন মোঃ ইলিয়াস, মুফতী আলী হায়দার, মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব, শায়খুল হাদীস মাওলানা ওয়ারিছ উদ্দিন, মুফতী ফয়জুল হক জালালাবাদী, মাওলানা মাশুক আহমদ, মাওলানা আসলাম রহমানী, মাওলানা মখলিছুর রহমান, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, কেএম আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান ও মাওলানা আহমদ সগীর সিলেটের বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।</p>
<p>বিকাল ৩টায় নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে হাজার হাজার মুসল্লীর সমন্বয়ে বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর প্রধান পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। মিছিলপরবর্তী সমাবেশে সংগঠনের সভাপতি মাওলানা আব্দুল মতিন ধনপুরী পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন। আগামী ৩দিন অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মূর্তি নির্মাণ কাজ বন্ধ না করলে সংবাদ সম্মেলন করে লাখো তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণঅবস্থান ধর্মঘট হরতালসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।</p>
<p>মাওলানা শফিকুল ইসলাম আমকুনী বলেন, ঈমানের তাগিদে আমরা মিছিলে সমবেত হয়েছি। সরকারের বিরুদ্ধে নয় আমাদের আন্দোলন মূর্তির বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথাকথিত শয়তান নাস্তিক মুরতাদের বিরুদ্ধে। অস্ত্র নয় বুকে কুরআন ও হাতে তসবিহ নিয়ে ইসলামের দুশমনদের বিদায় করা হবে। সিলেটের মানুষকে আন্দোলনমুখী না করে বিতর্কিত ভাস্কর্য নির্মাণ করে সরকার তাদের শুভবুদ্ধির পরিচয় দিবে বলে সিলেটবাসীর প্রত্যাশা।</p>
<p>লেঃ কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদ বলেন, আমরা শাহজালালের উত্তরসুরী। তাই শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকতে শাহজালালের মান মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হতে দিব না। শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা করে আমাদের সন্তানদের রক্তাক্ত করা হয়েছে।  কিন্তু মূর্তির বিরুদ্ধে সিলেটের সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা আজ গর্জে উঠেছে। মূর্তি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবেই।</p>
<p>অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাই জিহাদী বলেন, মূর্তির বিরুদ্ধে সিলেটের সর্বস্তরের ওলামা-মাশায়েখের মধ্যে ঐক্যের সূচনা হয়েছে। শাহজালালের নামে নির্মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কিত ভাস্কর্য নির্মাণ বন্ধ না হলে তা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হবে। তৌহিদী জনতাকে ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকারও আহবান জানান তিনি।  ফয়জুল হক জালালাবাদী বলেন, গত শনিবার প্রচার মিছিলে হামলা চালিয়ে আমাকেসহ আমার সহকর্মীদের আহত করে রক্তাক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে জীবন দিব মূর্তি নির্মাণ হতে দেব না।</p>
<p>মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব বলেন, কতিপয় নাস্তিক মুরতাদের কারণে আজ সিলেটের হাজার হাজার তৌহিদী জনতাকে মাঠে আন্দোলন করতে হচ্ছে। কিন্তু সরকারের কাছে শাহজালাল-এর মান মর্যাদার কোন মূল্য নেই বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। যার জন্য পুলিশ পাহারায় সিসি ক্যামেরা বসিয়ে মূর্তি নির্মাণ করা হচ্ছে। সিলেটের তৌহিদী জনতাকে উত্তপ্ত করার পরিণতি শুভ হবে না।</p>
<p>মাওলানা কমরুদ্দীন চৌধুরী ছাহেবজাদায়ে ফুলতলীর পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সোবহানীঘাট কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুফতী আবু সালেহ কুতুবুল আলম বলেন, হযরত  শাহজালাল ইয়ামানী (রহঃ) মূর্তি ধ্বংসের মিশন নিয়ে সিলেটে এসেছিলেন। কিন্তু নাস্তিক ও মুরতাদরা মূর্তি নির্মাণের মধ্য দিয়ে সিলেটের পবিত্রতা ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছে। তাদের সেই খায়েশ পূরণ হতে দেয়া হবে না। ভাস্কর্য নির্মাণ বন্ধ না হলে তা ভেঙ্গে দেয়া হবে।</p>
<p>আব্দুস সালাম আল মাদানী বলেন, ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন সূচনা হয়েছে তা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত চলবে। শুধু মূর্তি নয় নাস্তিকদেরকে পবিত্র ভূমির স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।</p>
<p>সংগঠনের আহবায়ক মাওলানা আব্দুল মতিন শায়খে ধনপুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভাস্কর্য প্রতিরোধ আন্দোলন এর মিছিল সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সোবহানীঘাট মাদরাসার মুহতামীম মাওলানা শফিকুল হক আমকুনী, সোবহানীঘাট ইয়াকুবিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবু সালেহ কুতুবুল আলম,সিলেটের যুগ্ম আহবায়ক ও প্রধান সমবয়কারী লেঃ কর্নেল (অবঃ) সৈয়দ আলী আহমদ, মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, মুফতি আলী হায়দার,মাওলানা  ফয়জুল হক জালালাবাদী, মাওলানা মখলিছুর রহমান, মাওলানা আসলাম রহমানী, মাওলানা মুজিবুর রহমান, জমিয়ত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী, মাওলানা জমির উদ্দীন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাদানী কাফেলার সভাপতি মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, মাওলানা মুখলিসুর রহমান প্রমুখ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://jalalabadnewsbd.com/?feed=rss2&#038;p=10385</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
